মঙ্গলবার, ১৭ মে ২০২২, ০৩:০৯ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
মাংকি ট্রায়াল, সমাজ বাস্তবতা ও একজন বিজ্ঞান সমালোচক আবু সাঈদ তুলু মাংকি ট্রায়াল,সমাজ বাস্তবতা ও একজন বিজ্ঞান সমালোচক আবু সাঈদ তুলু কলকাতার অক্ষরবৃত্ত প্রকাশনা থেকে হাসনাইন সাজ্জাদী’র ‘কবিতায় বিজ্ঞান অ-বিজ্ঞান’ প্রকাশিত। আমাজন সহ পাওয়া যাচ্ছে সকল অনলাইন মাধ্যমে ‘ দুর্ঘটনায় পড়লেন বিজ্ঞান কবিতা আন্দোলনের আন্তর্জাতিক শুভেচ্ছা দূত ড. চন্দন বাঙ্গাল আমার কবিতাভাবনা ও বিজ্ঞানকবিতা -হাসনাইন সাজ্জাদী জাতির পিতার জন্য দোয়া কামনার মধ্য দিয়ে বঙ্গবন্ধু টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার্স এসোসিয়েশনের ইফতার অনুষ্ঠিত জাতির পিতার জন্য দোয়া কামনার মধ্য দিয়ে বঙ্গবন্ধু টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার্স এসোসিয়েশনের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত বিশ্বনেতার ১০২তম জন্মদিনে বিনম্র শ্রদ্ধা শতবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়; নবাব সলিমুল্লাহ ও বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন কবিতাবিজ্ঞান দিয়ে বিশ্বসাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছেন হাসনাইন সাজ্জাদী- এস এম শাহনূর
বৈশিক কলা -আবু ওবায়েদ

বৈশিক কলা -আবু ওবায়েদ

বৈশিক কলা

আমরা সবাই জানি প্রাগৈতিহাসিক কালে মানুষ খাদ্য উৎপাদন না করে খাদ্য সংগ্রহ করে জীবিকা নির্বাহ করত। এই সময় মেয়েরা খাদ্য (ফলমূল) সংগ্রহ করত এবং পুরুষরা শিকার করত। এই শিকারের কাজে অনেক সময় পুরুষকে অনেক দূরে যেতে হতো… যাতে তাদের দুই-চার বা সপ্তাহ পর্যন্ত সময় লাগত ফিরে আসতে। এই সময় পুরুষ হয়তো শিকার করতে করতে অণ্য একটি গোত্রের কাছে চলে যেত। এই সময় পুরুষের যদি কোন নারী সঙ্গ দরকার হতো তখন ঐ গোত্রের নারীর সাথে সে যৌনতা করতে পারত। তবে এই যৌনতার বিনিময়ে তাকে শিকারের কিছু অংশ দিতে হতো।

নৃবিজ্ঞানীদের মতে এখন থেকেই পতিতা বৃত্তির শুরু। নৃবিজ্ঞানীই মনে করেন প্রাগৈতিসাহিক কলে বিবাহ প্রথা ছিল না। এই সময় মানুষ যৌনস্বাধীনতা ভোগ করত।

প্রাচীন ব্যাবিলন, ভারতবর্ষ, গ্রীস, রোম সহ সকল প্রাচীন সভ্যতায়ই এই বৃত্তি নানা ভাবে প্রচলিত ছিল। প্রাচীন ব্যাবিলনে পতিতাবৃত্তিকে পূন্যের কাজ মনে করা হতো। আর এই কারণে প্রত্যেক বাড়ি থেকেই প্রত্যেক নারীকে জীবনে অনন্তত একবার টাকার বিনিময়ে যৌনতা করতে হতো।

ঐতিহাসিক হেরোডেটাস তার বর্ণনায় লিখেছেন- “মাইলিত্তা (ব্যাবিলনীয়দের রতিদেবী (Mylitta) দেবীর মন্দিরে প্রত্যেক নারীকেই বছরে অন্তত একবার যেতে হতো। তারা মন্দিরে লাইন ধরে বসে থাকত। এই মন্দিরে যে সকল পুরুষ আসত তারা নিজেদের পছন্দ মতো নারীকে রৌপ্যমুদ্রা নিক্ষেপ করত এবং বলত তোমার উপর মাইলিত্তার আর্শিবাদ বর্ষিত হয়েছে। এই কথা বলার সাথে সাথে উক্ত নারী মুদ্রা নিক্ষেপকারী পুরুষের সাথে কোন নির্জন স্থানে গিয়ে যৌনতা করত”। এই বিষয়টিকে ব্যাবিলনীয়রা ধর্মানুষ্ঠান মনে করত বলে কত টাকা দেয়া হলো সেটা বিচার করা হতো না।

এখানে বিষয় হলো সুন্দর নারীরা খুব সহজেই নিজের খদ্দের পেয়ে যেত কিন্তু কুৎসিত নারীরা সহজে পেত না। তাদের অনেক সময় দুই-তিন মাস পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হতো। আর যতদিন পুরুষের সাথে মিলিত হতে না পরত ততদিন ঘরে ফেরার নিয়ম ছিল না। হাম্বুবারীর আইনেই পতিতাদের কথা উল্লেখ আছে, তাদের অধিকার সম্পর্কে বলা হয়েছে এই আইনে।

গ্রীক দেবী ভেনাস ও আফ্রোদিতিকে পতিতাদের প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করা হয়। এই দুই জনের মূর্তি প্রকাশ্যে পূজা করা হতো। আর এই পূজার ব্যায় ভার বহন করা হতো মন্দিরর পতিতাদের আয়ের টাকা থেকে। প্রাতি মাসের চতুর্থ দিনে এই পূজা করা হতো। কোরিন্থ (Corinth) মন্দির হাজারের উপর পতিতা থাকত। কারণ বাবা-মা এই সকল নারীদের মন্দিরের উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করেছেন এবং পূন্য লাভের আশাই এই পতিতাবৃত্তি করত।

গ্রিক দার্শনিক সলোন (Solon) আইন প্রনয়ন করেন যে, পতিতারা রাষ্ট্রের সম্পদ হিসেবে বিবেচিত হবে এবং এদের আয়ের টাকা দিয়ে আফ্রোদিতির মন্দির নির্মান ও সংস্কার করা হবে। সলোনের সময় গ্রীসের নারীরা স্বেচ্ছায় মন্দির আসত না, বিজিত অঞ্চলের সকল নারীকেই জোর করে মন্দিরে রাখা হতো পতিতাবৃত্তির জন্য। খদ্দেরকে আকৃষ্ট করার জন্য তারা রাস্তার পাশে নগ্ন হয়ে দাড়িয়ে থাকত।
হেতায়ারা (Hetaira) নামে এক শ্রেণীর উঁচু দরের পতিতা ছিল গ্রিসে। এরা ছিল গ্রিসের কবি, দার্শনিক, সেনাপতি, রাজপুরুষের ভোগের সামগ্রী। যেহেতু এরা প্রভাবশালী মানুষের মনোবঞ্জন করত তাই তাদের শিক্ষিত ও শৈল্পিক মনের অধিকারী হতে হতো। এর বাসগৃহ বেশভূষা ছিল চাকচিক্যময়।

প্রাচীন রোমের পতিতাদের অধিকাংশই ছিল বিজিত অঞ্চলের নারীরা। রোমান সাম্রাজ্যের চরম উন্নতির সময় নারী-পুরুষ একত্রে উলঙ্গ অবস্থায় গোসল করার প্রথা চালু হয়। এর ফলে সমগ্র ইতালি জুড়ে অনেক হাম্মামখানা চালু হয়। এই হাম্মামখানা গুলো হয়ে উঠে যৌনাচারনের কেন্দ্র। রোমে পতিতাবৃত্তি এতই প্রসার হয়েছিল যে- সাকার্স, থিয়েটার, মেলা, তীর্থস্থানগুলোতে গণিকাতে পরিপূর্ণ থাকত। তারা স্বাধীনভাবে রাস্তায় ঘুরে বেড়াত। সকলেই বিনোদনের কেন্দ্র হিসেবে হাম্মামখান ও বারাঙ্গনা ভবনগুলোকেই বুঝত। এই সময় এই হাম্মামখানা ও বারাঙ্গানা ভবনগুলোতে অনেক বিবাহিত পুরুষ নিজের স্ত্রীকে বিক্রি করে দিত। বড় বড় সম্রাট্রের স্ত্রীরাও নির্জন স্থান বাড়ি ভাড়া করে সম্রাটের অজ্ঞাতে পতিতাবৃত্তি করত। সম্রাট ক্লাডিয়াসের স্ত্রী মোনালিসা এই অপরাধে সম্রাটের আদেশে নিহত হন।

মধ্যযুগে (৫০০-১৫০০ খ্রিঃ) সময়ে পৃথিবীর সর্বত্রই পতিতাবৃত্তির প্রসার লক্ষণীয়। ইংল্যান্ড, ফ্রান্স, জার্মানী, আমেরিকা, জাপান প্রভৃতি দেশ শিল্পেউন্নত হয়। সৈন্যদলের উপভোগের জন্যও একদল ভ্রাম্যমান পতিতা রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় গড়ে উঠেছিল। মধ্যযুগে ইংল্যান্ডের পতিতালয়সমূহ সরকারী স্নানাগারসমূহে কেন্দ্রীভূত হয়। এই সময় ১৫৪৬ সালে রাজা অষ্টম হেনরী আইন করে পতিতা ব্যবসা বন্ধ করেন । কিন্তু নিষেধাজ্ঞার কারণে পতিতারা বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েন। ১৬৫০ সালে আইন করে আরো কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করলেও গোপনে পতিতাবৃত্তি চলতে থাকে।

অষ্টাদশ শতাব্দীতে ফ্রান্সের অধিবাসীদের সাথে ইংল্যান্ডের অধিবাসিদের মেলামেশার করাণে ফরাসী রীতিনীতি ইংল্যান্ডের ফ্যাশন হয়ে দাড়ায়। এবং ফরাসীদের অবাদ যৌনাচারণের প্রভাব ইংল্যান্ডেও পড়তে থাকে। লন্ডনের French Quarter এ পতিতাদের অড্ডা খানায় পরিণত হয়। এছাড়াও সমুদ্রবন্দরগুলোতেও পতিতাদের ভীড় লক্ষ্য্ করার মতো ছিল। এই সময় নাবিক ও সৈনিকদের মধ্যে যৌন জনিত রোগ ভয়াবহ আকারে দেখা দিলে ১৮৬৪ সালে আইন করে পতিতাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়।

প্রাচীন ভারতে পুরোহিতরা অনেক সময় নিজেকে দেবতার সাথে তুলনা করতেন। পুরোহিতদের সম্পর্কে এমনও বলহয় যে- কোন নব-বিবাহিতা নারীর স্বামীর সাথে রাত কাটানোর পূর্বে পুরোহিতের সাথে রাত কাটাতে হতো। এছাড়াও পুরোহিতরা মনে করত -স্বর্গের দেবতা ইন্দ্র সহ অন্যান্য দেবতাদের চিত্ত বিনোদনের জন্য অপ্সরা, মেনেকা, রম্ভা গণিকারা আছে , তাই পৃথিবীতেও থাকা দরকার। আর এই ধারণা থেকেই বড় বড় মন্দির, তীর্থস্থানগুলোতে দেবদাসী রাখা হতো। পুরোহিতরা মনে করত – এরা দেবতার সেবা করবে, আর দেবতার কাছে সেবা পৌছে দেবার পথ হলো পুরোহিতকে সেবা করা। এই সকল দেবদাসীরা অনিন্দ্য সৌন্দর্যের অধিকারী হতো। অনেক সময় এলাকার সুন্দরী নারীকে ধরে এনে দেবদাসী বানানো হতো । এই সকল দেবদাসীদের সাথে পুরোহিতদের যৌনতা চলত। অনেক সময় পুরোহিতরা মন্দিরের অর্থ উপার্যনের লক্ষ্যে সাধারণ মানুষের সাথেও সঙ্গমের অনুমতি দিত। এখনো গোপনে ভারতের অনেক মন্দিরে দেবদাসী প্রথা চালু আছে । এছাড়া “উত্তর ভারতে জিপসি সম্প্রদায়ের মধ্যে মেয়ে শিশুকে পতিতা বানানোর এক ধরনের প্রথা ছিল। বিহার ও উত্তর প্রদেশে ছিল নায়েক,পশ্চিম ভারতের গুজরাটে দেহে ও বর্ণের পতিতা এবং দাক্ষিণাত্যে ছিল মোহর নামক উপজাতীয় পতিতা। [তথ্যসুত্র: দৈনিক আজাদি ৪মে – ২০১৩]”
“মহাভারতে উল্লেখ আছে যে, একজন বেশ্যা ভাল প্রকৃতির হলে উচ্চতর জীবনে পুনর্জন্ম লাভ করতে পারে । এই জীবিকা সম্বন্ধে বৌদ্ধ ধর্মেরও একই মত। (তথ্যসুত্র: বাংলা পিডিয়া)”॥ “পতিতা বৃত্তির আরো সরস বিবরণ পাওয়া যায় ‘বাৎস্যায়ন’ আমলে এবং তার লেখা কামসূত্র বইয়ে॥ ‘বাৎস্যায়ন’ তাঁর বাল্যকাল কেটেছিল এক বেশ্যালয়ে। এবং সেখানে তাঁর মাসি কাজ করতেন। ঐখান থেকেই তিনি কামকলা সংক্রান্ত জ্ঞান লাভ করেছিলেন। [ তথ্যসুত্র: Ascetic of Desire, Sudhir Kakar, Overlook Press,2000]
কামসুত্রের ০৬ – ভার্যাধিকারিক (৩.১)এর ৫৩ নম্বর শ্লোকে আছে – “স্বামী যাহাকে প্রচ্ছন্ন ভাবে কামনা করে, তাহার সহিত স্বামীর সঙ্গম করিয়া দিবে ও গোপন করিয়া রাখিবে।।৫৩।।” এই শ্লোক থেকেই বোঝা যায় অনাচার কেমন পর্যায়ে ছিল । তাছাড়া বাৎস্যায়নের সময় বেশ্যারা আর পাঁচটা সাধারণ মেয়েদের মতো বিয়ে,সন্তান জন্মদান, ঘর-সংসার করতো বেশ্যা বৃত্তিকে ত্যাগ না করেই। কিন্তু বিয়ের পর প্রথম একটা বছর স্বামী ছাড়া অন্য কোনো পুরুষের সঙ্গে যৌনমিলন করা নিষিদ্ধ ছিল। বিয়ের এক বছর অতিক্রান্ত হওয়ার পর বেশ্যা বৃত্তিতে আর কোনো বাধা ছিল না।

“প্রথম মৌর্য সম্রাট চন্দ্রগুপ্তের (খ্রিষ্টপূর্ব ৩২১ থেকে খ্রিষ্টপূর্ব ২৯৭) কৌটিল্যের(কৌটিল্যর আরেক নাম ছিল চাণক্য) অর্থশাস্ত্র থেকে পতিতা ও পতিতা বৃত্তি সংক্রান্ত ভারতবর্ষের যে চিত্র পাওয়া যায় তা হল । এসময় দেহব্যবসা শিল্পের পর্যায়ে উন্নীত হয়,যে শিল্পের নাম ছিল বৈশিক কলা। ঐ সময় দেহব্যবসা ছিল সন্মানিত পেশা। [তথ্যসুত্র: কৌটিল্য : প্রেম ও নৈতিকতা, ড. প্রতাপ চন্দ্র, কলকাতা, ২০০০]” কোনো গণিকার ইচ্ছার বিরুদ্ধে তাঁর সঙ্গে বা তাঁর অবিবাহিতা মেয়ের সঙ্গে বলপূর্বক দেহমিলনের চেষ্টা করলে সর্বোচ্চ আর্থিক সাজা হতো।

বৃটিশ আমলের পরিসংখ্যানে দেখা যায়”১৮৫৩ তে কলকাতা শহরে ৪০৪৯ টি বেশ্যাগৃহ ছিল যাতে বাস করছিলেন ১২,৪১৯ জন যৌনকর্মী। ১৮৬৭ তে ছিল ৩০,০০০ জন॥ ১৯২১ সালের আদম শুমারিতে অনুযায়ী ১০,৮১৪ জন যৌনকর্মী ছিল কলকাতায়। [তথ্যসুত্র: দেবাশিস বসু, ‘কলকাতার যৌনপল্লী’,]” “কলকাতায় খুবই রমরমা ছিল বেশ্যাদের জগৎ। গৃহস্থের বাড়ির পাশে বেশ্যা, ছেলেদের পাঠশালার পাশে বেশ্যা, চিকিৎসালয়ের পাশে বেশ্যা, মন্দিরের পাশে বেশ্যা। [তথ্যসুত্র: বিনয় ঘোষ, কলকাতা শহরের ইতিবৃত্ত,১৯৯৯, পৃ. ৩০২-০৩]”
হিন্দুরা মনে করে,বেশ্যারা এই সমাজ কে নির্মল রাখে ॥ আর সেই কারণেই দুর্গা পুজার সময় বেশ্যার দরজার মাটি অপরিহার্য।
আসলে “বেশ্যাবাজি ছিল বাবু সমাজের সাধারণ ঘটনা। নারী আন্দোলনের ভারত পথিক রাজা রামমোহন রায়েরও একাধিক রক্ষিতা ছিল॥ এমনকি এক রক্ষিতার গর্ভে তাঁর একটি পুত্রও জন্মে ছিল। সাহিত্যিক মীর মোশাররফ হোসেন নিয়মিত বেশ্যা পাড়ায় যেতেন তা তিনি নিজেই তার ডাইরিতে লিখে গেছেন॥ মরমি কবি হাসন রাজা, কথা শিল্পী শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় নিয়মিত পতিতালয়ে যেতেন। [ তথ্যসুত্র: অবিদ্যার অন্তঃপুরে, ড. আবুল আহসান চৌধুরী : শোভা প্রকাশ]” রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরও পতিতালয়ে যেতেন। নিষিদ্ধ পল্লীতে গমনের ফলে রবীন্দ্রনাথের সিফিলিস আক্রান্ত হওয়ার খবর তার জীবদ্দশাতেই ‘বসুমতী’ পত্রিকাতে প্রকাশিত হয়েছিল।
বাংলাদেশের “যশোর শহরে পতিতা বৃত্তির ইতিহাস রয়েছে ৫শ’ বছরের। মোঘল সম্রাট আকবরের শাসনামল থেকেই যশোর শহরে চলে আসছে পতিতাবৃত্তি।
বর্তমান আমাদের দেশে চার ধরণের যৌন কর্মী রয়েছে….
ক) যৌনপল্লী বেইজ খ) রেসিডেন্স বেইজ গ) হোটেল বেইজ ঘ) অনলাইন বেইজ।-kagojbarta-14

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




themesbazar_brekingnews1*5k
© All rights reserved © 2020
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD