মঙ্গলবার, ১৭ মে ২০২২, ০৭:০১ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
মাংকি ট্রায়াল, সমাজ বাস্তবতা ও একজন বিজ্ঞান সমালোচক আবু সাঈদ তুলু মাংকি ট্রায়াল,সমাজ বাস্তবতা ও একজন বিজ্ঞান সমালোচক আবু সাঈদ তুলু কলকাতার অক্ষরবৃত্ত প্রকাশনা থেকে হাসনাইন সাজ্জাদী’র ‘কবিতায় বিজ্ঞান অ-বিজ্ঞান’ প্রকাশিত। আমাজন সহ পাওয়া যাচ্ছে সকল অনলাইন মাধ্যমে ‘ দুর্ঘটনায় পড়লেন বিজ্ঞান কবিতা আন্দোলনের আন্তর্জাতিক শুভেচ্ছা দূত ড. চন্দন বাঙ্গাল আমার কবিতাভাবনা ও বিজ্ঞানকবিতা -হাসনাইন সাজ্জাদী জাতির পিতার জন্য দোয়া কামনার মধ্য দিয়ে বঙ্গবন্ধু টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার্স এসোসিয়েশনের ইফতার অনুষ্ঠিত জাতির পিতার জন্য দোয়া কামনার মধ্য দিয়ে বঙ্গবন্ধু টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার্স এসোসিয়েশনের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত বিশ্বনেতার ১০২তম জন্মদিনে বিনম্র শ্রদ্ধা শতবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়; নবাব সলিমুল্লাহ ও বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন কবিতাবিজ্ঞান দিয়ে বিশ্বসাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছেন হাসনাইন সাজ্জাদী- এস এম শাহনূর
বিমানে পাখির সঙ্গে সংঘর্ষ – রাশিক আজমাইন

বিমানে পাখির সঙ্গে সংঘর্ষ – রাশিক আজমাইন

বিমানে পাখির সঙ্গে সংঘর্ষ - রাশিক আজমাইন

বিমানে পাখির সঙ্গে সংঘর্ষ!

বিমানে পাখির সংঘর্ষ কতটা বিপজ্জনক ?


এর ফলে বিমান বিধ্বস্ত হতে পারে ৷ শুধু পাখি নয় রাতে উড়তে থাকা বাদুড়ও রাত্রিকালিন যাত্রায় থাকা বিমানের সাথে সংঘর্ষ বাঁধাতে পারে ৷ শুধু তাই নয় ৷ রানওয়েতে উড্ডয়নের আগে বিমানকে কিছু দূর যেতে হয় ৷ এ সময় রানওয়েতে আকস্মিকভাবে চলে আসা হরিণ বা কুকুরের সাথেও সংঘর্ষ হতে পারে ৷ এগুলোর মধ্যে ৯৮% সংঘর্ষ পাখির মাধ্যমেই ঘটে ৷
বিমানে পাখির সংঘর্ষ কতটা সাধারণ ঘটনা ?


গত দুই দশকে বিমানে পাখির সংঘর্ষজনিত কারণে ১০৬ জনের মৃত্যু ঘটেছে বলে ব্রিটিশ ও কানাডীয় গবেষকগণ বলেছেন ৷ এই সংখ্যাটা বিমানযাত্রার সংখ্যা বৃদ্ধি; পাখিদের পরিযায়ী যাত্রার পরিবর্তন এবং বড়, দ্রুততর ও অধিক শান্ত টার্বোফ্যান চালিত বিমানের সাথে সম্পর্কিত যার ফলে পাখিরা পালানোর জন্য খুব বেশি সময় পায় না ৷

বিশেষজ্ঞগণ অনুমান করেছেন বিমানে পাখির সংঘর্ষে প্রতি বছর ১২০ কোটি মার্কিন ডলার মূল্যের ক্ষতি সাধিত হয় ৷ ১৯৯০ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত শুধু আমেরিকাতেই ১,৯৪,০০০ বিমান-প্রাণীর সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে ৷ ১৯৮৮ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত ২৬৩ টি যাত্রীবাহী বিমান পাখির আঘাতে ধ্বংস হয়েছে বা পাখির আঘাতের পর মেরামতের অভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ৷


সাধারণত কোন জাতের পাখি সংঘর্ষের জন্য দায়ী ?
বেশিরভাগ পাখির আঘাত কোন জাতের পাখির দ্বারা হয়েছে তা জানা সম্ভব হয় না ৷ তবে পার্চিং পাখি, চড়ুই, শালিক ও স্টার্লিং ২২% সংঘর্ষের জন্য দায়ী ৷ সামুদ্রিক পাখি যেমন সিগাল ১১% এবং শিকারী পাখি যেমন বাজ, ইগল ও শকুন ৯% সংঘর্ষের জন্য দায়ী ৷


বিমানের আকারের উপর সংঘর্ষের মাত্রা নির্ভরশীল ৷


কোনো ছোট পাখি বিমানে আঘাত করলে যাত্রীগণ জোরালো শব্দ শুনতে পাবেন ৷ যদি ছোট একটা পাখি বিমানের ইঞ্জিনে ধোঁয়া নির্গমনের জায়গা দিয়ে ঢুকে পড়ে তবে সে সাধারণত ইঞ্জিনের কেন্দ্রস্থলের শীতাতপ নিয়ন্ত্রণের জায়গায় চলে যাবে ৷ তখন যাত্রীগণ পোড়া মুরগির মতো দুর্গন্ধ পাবেন ৷


ছোট বিমান বা প্রোপেলার যুক্ত বিমান পাখির আঘাতের ফলে সৃষ্ট গঠনগত ক্ষতি যেমন সামনের কাচ, নিয়ন্ত্রণ এলাকা বা বিমানের লেজ ইত্যাদির ক্ষতি সামলে নিতে পারে ৷ তবে সামনের কাচ ভেঙে গেলে সেই টুকরা যাত্রীদের আহত করতে পারে ৷ পাখির আঘাতে ইঞ্জিন বিকল হলে এইসব বিমান বিধ্বস্ত হতে পারে ৷


বড় আকারের বিমান পাখির আঘাতের ফলে ইঞ্জিন সম্পূর্ণ বিকল হলেও সামলে নেবে ৷ তাছাড়া প্রচণ্ড গতিতে ধাবমান বিমানের সাথে ছোট একটা পাখির আঘাতে আক্রান্ত স্থান দুমড়ে মুচড়ে যেতে পারে ৷ এটাও জরুরি যে কতগুলো পাখির সাথে সংঘর্ষ ঘটছে ৷ অনেক পাখি ঝাঁক বেঁধে ওড়ে ৷ তাদের সংঘর্ষ আরও বিপজ্জনক ৷


বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ এর সমাধান কীভাবে করে ?


১. বিমানবন্দরের আশেপাশে পাখির বাসস্থান কমিয়ে ফেলা হয় ৷ খোলা জায়গায় গুল্ম, বৃক্ষ জাতীয় গাছ কেটে ফেলে সেখানে ফসলী জমি বা গবাদিপশুর চারণক্ষেত্র তৈরি করা হয় ৷


২. পরিযায়ী পাখিদের নির্দিষ্ট পথ থাকে যেটা ধরে তারা যাতায়াত করে ৷ যদি এই পথ বিমানবন্দরের পাশে হয় তবে সমস্যা হতে পারে ৷ বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ এক্ষেত্রে বিমানে পাখি সম্পর্কিত সতর্কবার্তা পাঠায় বা ভয় দেখিয়ে সরিয়ে দেয় ৷


৩. বড় বড় বিমানবন্দরে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত দ্রুতগতির শ্যেন পাখি (Peregrine Falcon) ব্যবহার করে সিগাল ও উড়নক্ষম রাজহাঁসদের সরানো হয় ৷


৪. তাছাড়া যাত্রাকালে পাখি শনাক্ত করতে রাডার ব্যবহৃত হয় ৷

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




themesbazar_brekingnews1*5k
© All rights reserved © 2020
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD