মঙ্গলবার, ১৭ মে ২০২২, ০৮:০৬ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
মাংকি ট্রায়াল, সমাজ বাস্তবতা ও একজন বিজ্ঞান সমালোচক আবু সাঈদ তুলু মাংকি ট্রায়াল,সমাজ বাস্তবতা ও একজন বিজ্ঞান সমালোচক আবু সাঈদ তুলু কলকাতার অক্ষরবৃত্ত প্রকাশনা থেকে হাসনাইন সাজ্জাদী’র ‘কবিতায় বিজ্ঞান অ-বিজ্ঞান’ প্রকাশিত। আমাজন সহ পাওয়া যাচ্ছে সকল অনলাইন মাধ্যমে ‘ দুর্ঘটনায় পড়লেন বিজ্ঞান কবিতা আন্দোলনের আন্তর্জাতিক শুভেচ্ছা দূত ড. চন্দন বাঙ্গাল আমার কবিতাভাবনা ও বিজ্ঞানকবিতা -হাসনাইন সাজ্জাদী জাতির পিতার জন্য দোয়া কামনার মধ্য দিয়ে বঙ্গবন্ধু টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার্স এসোসিয়েশনের ইফতার অনুষ্ঠিত জাতির পিতার জন্য দোয়া কামনার মধ্য দিয়ে বঙ্গবন্ধু টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার্স এসোসিয়েশনের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত বিশ্বনেতার ১০২তম জন্মদিনে বিনম্র শ্রদ্ধা শতবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়; নবাব সলিমুল্লাহ ও বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন কবিতাবিজ্ঞান দিয়ে বিশ্বসাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছেন হাসনাইন সাজ্জাদী- এস এম শাহনূর
নেতাজী ভবন মুক্তিযোদ্ধাদের পরিকল্পনার সাক্ষী – লোকমান হোসেন পলা

নেতাজী ভবন মুক্তিযোদ্ধাদের পরিকল্পনার সাক্ষী – লোকমান হোসেন পলা

 

১৯৭১ এর মুক্তিযোদ্ধাদের বিভিন্ন বিভিন্ন পরিকল্পনার সাক্ষী কলকাতার নেতাজী সুভাষ চন্দ্রের বাড়িটি

‘নেতাজি ভবন’ ,স্মারক ভবন ও গবেষণা কেন্দ্র। এখানে ভারতীয় জাতীয়তাবাদী নেতা সুভাষচন্দ্র বসুর (নেতাজি) জীবন ও কর্ম নিয়ে গবেষণা চলে। ১৯০৯ সালে সুভাষচন্দ্রের বাবা জানকীনাথ বসু এই বাড়িটি তৈরি করেছিলেন। বর্তমানে নেতাজি রিসার্চ ব্যুরো এই বাড়িটির মালিক। এখানে একটি জাদুঘর, মহাফেজখানা এবং একটি গ্রন্থাগার রয়ছে। সুভাষচন্দ্র বসুর ভাইপো শিশিরকুমার বসুর পুত্র সুগত বসু ও তাঁর মা কৃষ্ণা বসু নেতাজি রিসার্চ ব্যুরো পরিচালনা করেন।[ দক্ষিণ কলকাতার ভবানীপুর অঞ্চলে লালা লাজপত রায় রোডে এই বাড়িটি অবস্থিত। ভবানীপুর অঞ্চলের কলকাতা মেট্রো স্টেশনটির নাম এই বাড়ির নামানুসারে “নেতাজি ভবন মেট্রো স্টেশন” রাখা হয়েছে।

১৯৪১ সালে ব্রিটিশ সরকার-কর্তৃক গৃহবন্দী থাকার সময় সুভাষচন্দ্র বসু এই বাড়ি থেকেই বার্লিনে পালিয়ে যান। এরপর তিনি (জার্মান ইউ-বোট ইউ-১৮০ এবং জাপানী সাবমেরিন আই-২৯ এ) জাপান-অধিকৃত দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় এসে আজাদ হিন্দ ফৌজ গঠন করেন এবং জাপান সাম্রাজ্য সেনাবাহিনীর সঙ্গে ব্রিটিশ সরকারের সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করেন৷ 


দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী ও জওহরলাল নেহেরু নেতাজি ভবন পরিদর্শনে এসেছিলেন। ২০০৭ সালে জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে এই ভবন পরিদর্শন করেন। প্রাধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও এই ভবন পরিদশর্ন করেন।

১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধাদের বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছিল নেতাজী ভবনকে কেন্দ্র করে। মুক্তিযুদ্ধের বিভিন্ন পরিকল্পনার সাক্ষী ছিল কলকাতার নেতাজী সুভাষ চন্দ্রের বাড়িটি।

 জাদুঘরটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৫৭ সালে। এই ভবনের জাদুঘরে সুভাষচন্দ্র বসুর পায়ের ছাপ রাখা আছে।

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




themesbazar_brekingnews1*5k
© All rights reserved © 2020
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD