বৃহস্পতিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৪, ০৮:০৩ পূর্বাহ্ন

ত্রিপুরায় বাংলাদেশের সাহিত্যপ্রেম ও বাঙালির বিজ্ঞানচিন্তা

ত্রিপুরায় বাংলাদেশের সাহিত্যপ্রেম ও বাঙালির বিজ্ঞানচিন্তা

ত্রিপুরায় বাংলাদেশের সাহিত্যপ্রেম ও বাঙালির বিজ্ঞানচিন্তা
।।
ঋজু লেখার পরিব্রাজক তার স্লোগান। সাহিত্যপত্রটির নাম ‘বিজয়া’।সম্পাদক সঞ্জীব দে দাদা।এ সাহিত্যপত্রের বাংলা সাহিত্য সংস্কৃতি বিষয়ক বিশেষ সংখ্যা প্রকাশ পেয়েছে মে ২০২২।দ্বাদশ বর্ষের একাদশ সংখ্যা এটি।এ সংখ্যার আমন্ত্রিত সম্পাদক ত্রিপুরার প্রাতঃস্মরণীয় কবি রাতুল দেববর্মন।
সংখ্যাটি স্বাধীন বাংলাদেশের রূপকার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কে উৎসর্গ করা হয়েছে।
সম্পাদক যখন তার সম্পাদকীয় শেষ করেন এভাবে- “এপার আমার হৃৎপিণ্ড,ওপার আমার শ্বাস,
হৃদয় মাঝে নাই কাঁটাতার,ভালোবাসার চাষ।”
তখন হৃদয় অলিন্দে পূর্ণতা পায় বাংলা প্রেম।
আমন্ত্রিত সম্পাদক কবি রাতুল দেববর্মন তার বিশেষ সম্পাদকীয় শেষ করেছেন এভাবে-
“বাংলাদেশে মেঘ হলে,আগরতলায় বৃষ্টি পড়ে,
বাংলাদেশ দুঃখ পেলে,ত্রিপুরায় অশ্রু ঝরে।”
তখন আর বুঝেতে বাকি থাকে না –
“যতদূর বাঙলা ভাষা যতদূর বাঙালি
যতদূর বাঙালি যতদূর বাঙলা সাহিত্য
বিছানো হ্রদয়ে ভালোবাসা বুকের জমিন
হৃদয় থেকে হৃদয়ে ছড়িয়ে যায়
মানচিত্রের আঁকিবুঁকি দেশ বাংলা মানুষ।”
(বাংলাকথা-৭১/হাসনাইন সাজ্জাদী)
বিজয়া বাংলাদেশ সাহিত্য সংস্কৃতি বিষয়ক বিশেষ সংখ্যায় লিখেছেন,
সর্বমহান আনিসুজ্জামান,হায়াত মামুদ,সেলিনা হোসেন,রফিকুন নবী, মফিদুল হক,সৌমিত্র শেখর,রামেন্দু মজুমদার, পীযুষ বন্ধ্যোপাধ্যায়,নিঝুম শাহ,কমলেশ দাশগুপ্ত,ওবায়েদ আকাশ,শাহীন চৌধুরী ডলি,রীনা তালুকদার ও বি এম হারিস।
আনিসুজ্জামান স্যারের লেখা “বাঙালি সংস্কৃতি” পড়ে জানা গেল বিজ্ঞানে প্রাচীনকালে উত্তর ভারতের অবদান আছে।বাঙালি প্রাচীনকালে বিজ্ঞানে কোনো অবদান রাখতে পারেনি।তবে ফলিত বিজ্ঞানে প্রাচীন কালে হাতির চিকিৎসায় বাঙালি আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা আবিস্কারের অবদান রাখে।তার নামও তিনি বলেছেন,হস্ত্যায়ুর্বেদ। অর্থাৎ হাতির চিকিৎসা।
কবি রীনা তালুকদার তার “বাংলা কবিতায় বিজ্ঞান যুগের সূচনা ” প্রবন্ধে বলেন,”…বিজ্ঞান কবিতার এই আন্দোলনটি অনুপ্রাস জাতীয় কবি সংগঠনের বর্তমান নির্বাহী সভাপতি কবি ও সাংবাদিক শেখ সামসুল হক ষাটের দশকে লেখা তাঁর কাব্যগ্রন্থ ‘চমৎকার সাহস’ গ্রন্থে বিজ্ঞানকে সমন্বয় করেছেন।তারই অনুপ্রেরণা,সার্বিক সমর্থন ও মনিটরিং -এ ১৯৮৮ সাল থেকে কবি হাসনাইন সাজ্জাদী শুরু করেছেন বিজ্ঞান কবিতা আন্দোলন।ধারাবাহিকভাবে ২০১৪ সালে বিজ্ঞান কবিতার রূপরেখা দিয়ে যখন বই প্রকাশ করলেন তখন এটি পুনর্জাগরণের মত সবার নজরে আসলো।…”
সাহিত্যপত্র বিজয়া বাংলাদেশ সাহিত্য সংস্কৃতি বিষয়ক বিশেষ সংখ্যা করে সত্যি বাংলা সাহিত্যের বন্ধনকে সুদৃঢ় করেছে।
আমি বিজয়ার সর্বাত্মক বিজয় অন্তর দিয়ে কামনা করি।

হাসনাইন সাজ্জাদী
বিজ্ঞান কবিতা আন্দোলনের প্রবর্তক

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




themesbazar_brekingnews1*5k
© All rights reserved © 2020
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD