রবিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৩:১১ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
মিষ্টি নোয়াতিয়া পাড়ার চাঁদ গ্রন্থের উপর আলোচনা ও অশ্রুত সাহিত্যপত্র পুরস্কার প্রদান।পেলেন চার বাংলাদেশি কবি ও সংস্কৃতিকর্মী

মিষ্টি নোয়াতিয়া পাড়ার চাঁদ গ্রন্থের উপর আলোচনা ও অশ্রুত সাহিত্যপত্র পুরস্কার প্রদান।পেলেন চার বাংলাদেশি কবি ও সংস্কৃতিকর্মী

অশ্রুত সম্মাননা প্রদান, মিষ্টি নোয়াতিয়া পাড়ার চাঁদ গ্রন্থের উপর আলোচনা ও গুণী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হল ত্রিপুরার শ্যামলী বাজারস্থ কবি সংগীতা দেওয়ানজীর বাসায়।ত্রিপুরার সাহিত্যপত্র অশ্রুত একটি প্রতিষ্ঠিত লিটলম্যাগ।অশ্রুতের নামে সম্মাননা প্রদান ছিল একটি প্রশংসনীয় উদ্যোগ। একই সঙ্গে কবি অনিকেত মৃণালকান্তি দেবনাথের লেখা ‘মিষ্টি নোয়াতিয়া পাড়ার চাঁদ’ গ্রন্থের উপর আলোচনাও ছিল অনন্য সৃজনশীলতা।গুণী সমাবেশও ছিল লক্ষ্যনীয়।কবি সংগীতা দেওয়ানজীর শ্যামলী বাজারস্থ বাসায় অনুষ্ঠিত হয় পুরো আয়োজন।গত ৯আগস্ট সন্ধ্যায় গুণীজনদের সমাবেশ বসেছিল।
ত্রিপুরার সাহিত্যপত্র অশ্রুত আয়োজিত সম্মাননায় বাংলাদেশের চার কবি ও সমাজকর্মীরা সম্মাননা লাভ করেন।
ত্রিপুরার কবি,নাট্যব্যক্তিত্ব ও এডভোকেট সুধীন দাশগুপ্ত, প্রকাশক ও এডভোকেট রাখাল মজুমদার,সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মিতা বন্ধ্যোপাধ্যায়,কবি ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব সংগীতা দেওয়ানজী,কবি ও সম্পাদক গৌরাঙ্গ সরকার,কবি ও রাজনীতিক অভিজিৎ দেববর্মন,কবি,প্রকাশক ও সম্পাদক বিল্লাল হোসেন,রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব সোমেন দে এবং কবি অনিকেত মৃণাল (মৃণালকান্তি দেবনাথ)-এর অংশগ্রহণে বাংলাদেশের লেখক,সাংবাদিক,সমাজকর্মী ও সাহিত্যিকদের এ সম্মাননা প্রদান ও মিষ্টি নোয়াতিয়া পাড়ার চাঁদ নিয়ে গুরুগম্ভীর আলোচনা চলে।
বাংলাদেশের বিজ্ঞান কবিতা আন্দোলনের প্রবর্তক,বিজ্ঞানবাদ,বিজ্ঞানকাব্যতত্ত্ব,বিজ্ঞানশিল্পতত্ত্ব ও সাবলীল ছন্দের উপস্থাপক,জাতীয় কবিতা পরিষদের নির্বাহী সদস্য,কবি-সাংবাদিক হাসনাইন সাজ্জাদী,কবি -সাংবাদিক ও সংগঠক,বিশ্ববাঙালি সংসদের সভাপতি লোকমান হোসেন পলা, লেখক পণ্ডিত কার্ত্তিক কর্মকার ও সমাজকর্মী রবিউল ইসলাম খান সম্বর্ধিত হন।
আলোচনায় উপস্থিত সকলেই অংশ নেন এবং গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন।তিন বাংলার মিলন,সম্প্রীতি এবং ত্রিপুরার সাহিত্য সংস্কৃতির অগ্রযাত্রা নিয়ে দীর্ঘ ও প্রাণবন্ত আলোচনা চলে।
আলোচনায় রবিউল ইসলাম ত্রিপুরাকে ভালো লেগেছে জানিয়ে বারবার ত্রিপুরা ভ্রমণের ইচ্ছা ব্যাক্ত করেন।পণ্ডিত কার্ত্তিক কর্মকার তার বক্তব্যে বাংলাদেশের বিজ্ঞান কবিতা আন্দোলন এবং তার প্রবর্তক হাসনাইন সাজ্জাদী’র নেতৃত্বে আগামীতে আরো সাহিত্য সংস্কৃতির ভ্রমণে জোর অংশ গ্রহণের প্রত্যয় ব্যাক্ত করেন।বিশ্ববাঙালি সংসদের সভাপতি লোকমান হোসেন পলা অতীতে তিন বাংলার গুণীজন ও শিল্প-সাহিত্য- সংস্কৃতির মানুষদের নিয়ে বিশ্ববাঙালি সংসদের নানা আয়োজনের কথা তুলে ধরেন।আগামীতেও এ আয়োজন অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।উপস্থিত সবাইকে বাংলাদেশ ভ্রমণের জন্য আগামীতে প্রস্তুতি গ্রহণেরও আহবান রাখেন।
বিজ্ঞান কবিতা আন্দোলনের প্রবর্তক,বিজ্ঞানকবি হাসনাইন সাজ্জাদী তার বক্তব্যে বিজ্ঞান কবিতা আন্দোলনের ধরণ,প্রয়োজনীয়তা,মিষ্টি নোয়াতিয়ার চাঁদ গ্রন্থের কবিতার উপর আলোচনা ও আলোচ্য গ্রন্থের বিজ্ঞানকাব্যের উদ্ধৃতি দেন।গ্রন্থের কাব্যে উল্লেখিত কাঁটাতারের প্রসঙ্গে হাসনাইন সাজ্জাদী বলেন,এ কাঁটাতার আমাদের হৃদয়ের ভেতরে টানা হয়েছে।তাতে দ্বিখণ্ডিত হয়েছে আমাদের হৃদয়।শিল্প সাহিত্য সংস্কৃতিই পারে হৃদয়ের এ ক্ষত মুছে দিতে।
এডভোকেট ও প্রকাশক রাখাল মজুমদার তাঁর বক্তব্যে ভারত বাংলাদেশের সম্প্রীতির উপর জোর এবং মিষ্টি নোয়াতিয়া পাড়ার চাঁদের আলাদা আরেকটি আলোচনা অনুষ্ঠানের উপর জোর দেন।
সাংবাদিক ও প্রকাশক বিল্লাল হোসেন মিষ্টি নোয়াতিয়া পাড়ার চাঁদ গ্রন্থের দীর্ঘ বিশ্লেষণ করেন।
এডভোকেট, কবি ও নাট্যব্যক্তিত্ব সুধীন দাশগুপ্ত ভারত বাংলার সম্প্রীতিকে হৃদয়ের ক্ষত মুছার একমাত্র অবলম্বন উল্লেখ করে বিজ্ঞান কবিতাকে একটি মহৎ উদ্যোগ বলে মতামত ব্যাক্ত করেন।
সাংস্কৃতিক ব্যাক্তিত্ব মিতা বন্ধ্যোপাধ্যায় বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের সাংস্কৃতিক ঐক্যের উপর জোর দেন।কবি সংগীতা দেওয়ানজী তার বক্তব্যে বাংলাদেশ ভ্রমণের নানা স্মৃতির উল্লেখ করে তার দীর্ঘ স্বপ্নের পথযাত্রায় বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির সৌন্দর্যের বর্ণনা দেন।
অভিজিৎ দেববর্মন, সোমেন দে,গৌরাঙ্গ সরকার প্রমুখদের বক্তব্যেও উভয় বাংলার সম্প্রীতি রক্ষা এবং সাহিত্য সংস্কৃতি নিয়ে এগিয়ে চলার প্রত্যয় ব্যাক্ত করা হয়।
কবি অনিকেত মৃণালকান্তি মিষ্টি নোয়াতিয়া পাড়ার চাঁদের নামকরণের প্রেক্ষাপট বর্ণনা করেন।
সব শেষে সংগীতাদির বাসার আপ্যায়ন ছিল মিষ্টিঝালের সমন্বয়।

….

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




themesbazar_brekingnews1*5k
© All rights reserved © 2020
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD