শনিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৪, ০৬:৪৭ পূর্বাহ্ন

অদ্ভূত প্রেম।।ফেরদাউসী কুঈন

অদ্ভূত প্রেম।।ফেরদাউসী কুঈন

(সরকারি শ্রীনগর কলেজের “কলেজ বার্ষিকী ৯৫’ এ প্রথম মুদ্রিত ছোট গল্প)

অদ্ভুদ প্রেম
ফেরদাউসী কুঈন

একটি মস্তবড় বাড়ী ৭ তলা। দেখতে খুব চমৎকার। চারপাশে ফুলের বাগান। বড় বড় নারকেল গাছ, পেয়ারা গাছ। একটি মেহেদি গাছ। গাছটির দিকে তাকালে মনে হয় কোন বিয়ের জন্য প্রহর গুণছে, কখন দেহের পাতা দিয়ে জীবন স্বার্থক করে তুলবে। বর কনে হাত রাঙ্গাবে। নারকেল গাছটি এমনভাবে সাজানো দেখলে মনে হবে বাড়িটাকে সারাক্ষণ আগলিয়ে রাখছে। অসংখ্য ডাব একে অপরের গায়ে লেপ্টে আছে যেন সারা জীবনের বন্ধু। সকালের ঝলমল রোদে চিড় চিড়ে পাতাগুলো ঝিলমিলিয়ে হেলে দুলে খেলা করে। বড় বড় কাঁচা পাকা পেয়ারাগুলোর দিকে তাকালেই জিভ কাচুমাচু করে। বাহারি ফুলের হিমেল হাওয়ায় সমস্ত বাড়ী মৌ মৌ গন্ধে ভরে ওঠে। বাড়ীর পাশেই একটি লেক। জোৎস্না রাতে প্রতিদিনই টগবগে প্রাণময় একদল যুবক আড্ডা মারে। ছাদ থেকে লোকটাকে মনে হয় সোনার পিন্ড। যুবকের দল ব্যান্ডসংগীত গাইতে থাকে, ওদের সাথে সুর মিলিয়ে গাইতে থাকে ছোট ছোট দুষ্টু ঘুম ভাঙ্গা পাখী। যুবকদের মধ্যে সবচেয়ে হ্যান্ডসাম যুবকটির নাম— শিপ্লু। ওদের লিডার। শিপ্লুরা থাকে ৩ তলায়। এক ভাই এক বোন। বাবা বিদেশে । মা গৃহিনী, এই হল ওদের ছোট সুখের সংসার।

অনেকদিন ধরে খালি পড়ে আছে ৬ তলা। আজ হঠাৎ করে এক শিক্ষিত দম্পতি ভাড়া নিলো। দু’জনেই চাকুরিজীবি তাদের একটি মাত্র মেয়ে। নাম সুপ্তি। বয়স ১৮/১৯ হবে. বি. এ পড়ে। বাবা—মার একমাত্র মেয়ে বলেই খুব আদুরে। যখন যা করতে চেয়েছে কোন সৃজনশীল কাজ বাবা—মা কেউ বাধা হয়ে দাড়ায়নি। লেখাপড়ার পাশাপাশি সাহিত্য সংস্কৃতি অঙ্গণের প্রতিও ঝোক রয়েছে। কবিতা, ছড়া, গল্পও কিছু লিখে। বাসায় গানের টিচার আছে। অনেক দিন ধরেই গান শিখছে। গতকাল ছায়ানটে ভর্তি হয়ে এলো এবং দেশের শ্রেষ্ঠ আবৃত্তি সংগঠনের সাথে কাজ করছে। প্রতিদিনই সুপ্তিকে বাইরে যেতে হয়। ফিরতে সন্ধ্যাও হয়ে যেত। বাবা—মা ইদানিং আচরনে ওকে গালমন্দ করতে শুরু করল। বাসায় এসে দেখে থমথমে ভাব। সুপ্তির খুব কষ্ট লাগে। অথচ সুপ্তির একটুও দোষ নেই। সুপ্তি মনে মনে প্রচন্ড কষ্ট পায় ওর বাবা—মা ওকে মানুষ ভাবেনা—ভাবে নারী। ও প্রতি পদে পদে শৃঙ্খলিত। সুপ্তি এসব মানেনা। সুপ্তি সামনের দিকে এগুতে থাকে । এত শৃঙ্খলিত জীবনের মাঝেও সুপ্তি গড়ে তুলতে চায় একটি সুন্দর মিষ্টি জীবন ।

প্রতিদিনই সুপ্তি যাওয়া আসা করত সেই সুবাদেই দেখতে পেত শিপ্লু। সুপ্তিও লুকিয়ে দেখার লোভটুকু দমিত করতে পারেনা। ছাদে সুপ্তি খুব কম যায়। কেননা সুপ্তির অনুষ্ঠানের রিয়ার্সেল সন্ধ্যে পর্যন্ত হয় তাই শিপ্লুর সাথে তেমন দেখাই হয়না। শিপ্লু ঠিক ছ’টা বাজে ছাদে যায়। অনেক চেষ্টা করেছে সুপ্তি ছ’টার আগে বাসায় ফিরতে। যদিও ক্লাশ থেকে তাড়াতাড়ি বেরোয় কিন্তু বাঁধ সাথে ঢাকা শহরের মারাত্মক সমস্যা যানজট। ঘন্টার পর ঘন্টা লেগেই থাকে। কোথা থেকে যে ছুট করে চলে আসে ভাবলেই গা জ্বলে যায়। যদিওবা একটু আগে আসে তখন ফ্রেশ হয়ে আর যাওয়া হয়না। আজানের ধ্বনি ভেসে আসে চারদিক থেকে।

শিপ্লুর সাথে প্রথম কথা হয় ঝড়ের রাতে। সেদিন সন্ধ্যে। বিদ্যুৎ ছিল না। ঘুটঘুটে অন্ধকার। সোঁ সোঁ বাতাস বইছে বাইরে। ধুলো বালির ছুটোছুটি । রিক্সা থেকে সবেমাত্র গেটে নামলো সুপ্তি। শিপ্লুকে দেখলো এর রুমের বারান্দায় বসে অপরিচিত একটি লোকের সাথে কথা বলছে। চার্জার লাইট জ্বালানো ভেতরের রুমে। তার থেকে আলো ছিটকে পড়ছে ওর গায়ে তাই স্পষ্ট দেখতে পেল সুপ্তি শিপ্লু বারান্দায় বসা। ওর কণ্ঠও শোনা যাচ্ছিল। সুপ্তি আঁধারের মাঝে দেয়ালে সিঁড়িতে আঘাত পেয়ে যখন চারতলায় পৌঁছলো, তখন ওর জানালায় দাড়িয়ে শিপ্লুকে উদ্দেশ্য করে বললো অদ্ভুত? শিপ্লু প্রশ্ন বান নিক্ষেপ করলো অদ্ভুত? হাঁ ওমনি সুপ্তি বললো হ্যাঁ অদ্ভুত। তার কিছু দিন পরে সুপ্তি যখন গেটের ভেতর ঢুকবে তখন তাকিয়ে দেখলো শিপ্লু তাকিয়ে আছে ওর দিকে। সুপ্তিও ওর চোখে চোখ রাখলো। অনেকটা সময় অপলক তাকিয়ে ছিল ওরা দু’জন দু’জনার দিকে। শিপ্লু মুখোমুখি কথা বলেনি কখনো মুখ ফুটে বলেনি ও ওখড়াব ণড়ঁ.সম্ভবত একটি কারণ সুপ্তি বি, এর(২য় বর্ষ) শিপ্লু বি.এ (প্রথম বর্ষ)। ছাদ থেকে শিপ্লু নামছে, সেদিন সুপ্তিই প্রথম প্রশ্ন করলো আপনার নাম? ” শিপ্লু” কোন কলেজে পড়েন? ঢাকার একটি নামকরা কলেজের নাম বললো শিপ্লু। সুপ্তি ওর সব কিছুই জানতো তবুও ওর মুখ নিস্মৃত কথা শুনতে চাইলো। সেদিন থেকে প্রতিদিনই আশা করতো শিপ্লু যেন দাড়িয়ে থাকে গেটের সামনে যাতে করে ঢুকলেই ওকে দেখতে পায়। হতোও তাই ।

একদিন সন্ধ্যেবেলা সুপ্তি শিপ্লুদের বাসায় একটি কবিতার বই আনতে গিয়েছিল। শিপ্লু সেদিন বাসায় ছিল। শিপ্লু লুকিয়ে লুকিয়ে দেখে চলে গেল নিজের রুমে। সুপ্তি ওর বোনের কাছ থেকে বইটি নিয়ে ওর রুম থেকে একটু দূরে দাঁড়িয়েছিল। শিপ্লু দেখছে কিন্তু কেউ যদি দেখে ফেলে সেই সংকটে এগুতে পারছে না সুপ্তির কাছে।

সুপ্তি এর জানালার সামনে গিয়ে তাকিয়ে রইল বাইরের দিকে। ওর রুম থেকে দেখা যাচ্ছে বাইরে উজ্জ্বল জ্যোৎস্নার ছটা। শিপ্লু তখন বললো কি দেখছেন, সুপ্তি বললো আপনাকে। কেন? এমনি, শিপ্লু বললো, সবকিছুর একটা মানে আছেনা। সুপ্তি বললো, সবকিছুর মানে খোঁজার কোন মানে হয় না। হঠাৎ করেই শিপ্লু বলে উঠলো আপনিতো ডিগ্রী (২য় বর্ষে পড়েন) তাইনা। সুপ্তি হ্যাঁ বললো। সুপ্তি নিজের অজান্তেই বলে উঠলো তাতে কিছু যায় আসেনা। সুপ্তি সেদিন শিপ্লুর মুখে তুমি সম্বোধন আনিয়ে ছেড়েছে।

শিপ্লু বললো, তোমার কথা আমি জেনেছি তুমি কি কর সব কিছু। সুপ্তি কৌতুহলে অস্থির হয়ে উঠল। কার কাছে শুনেছ। কেন মার মুখে, তুমি মার সাথে কথা বলেছ না? কথা বলার সাথে ধীরে ধীরে শিপ্লু ওর হাতটা স্পর্শ করলো। সুপ্তি চমকে ওঠে তাকিয়ে দেখে শিপ্লু তাকিয়ে আছে ওর দিকে গভীর ভালোবাসার দৃষ্টি নিয়ে। কোন কথা হয়নি সেই মুহুর্তে। সমস্ত নীরবতাই বলে দিয়েছে সব কথা। নিঃস্তব্ধতাই যেন সুখ সুন্দর। এর পর থেকে সুপ্তি ৬ টার আগেই বাসায় ফিরতো শিপ্লুর জন্য। ৬টাবাজে দেখা হতো ছাদে। সবার সামনে কথা হতোনা তাই দূর থেকেতাকাতো আর দুষ্টুমি করতো। এমনি একদিন ক্যামেরা নিয়ে সুপ্তি ছাদে উঠেছিল ওর চাচাতো বোনকে নিয়ে। কেননা ছাদেও অনেক চমৎকার বিভিন্ন ফুলেরসমারোহ। একটু দূরেই নদী। ডুবু ডুবু সূর্যের রক্তিম আভা ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে নদীর জলরাশিতে। চিক চিক জলরাশি মৃদু মৃদু ঢেউয়ে খেলা করে। নদী দিয়ে পালতোলা নৌকা ছুটছে মাঝি গুন গুন করে গান গাইছে আর সুন্দর প্রকৃতির দিকে চেয়ে আছে। আকাশে উড়ে যাচ্ছে ঘরে ফেরা পাখির দল ঝাঁকে ঝাঁকে। দুটি ছোট পাখি সম্ভবত একটি ছেলে একটি মেয়ে খুব ছুটোছুটি করছিল নারকেল গাছে। অনেকটা সময় তাকিয়েছিল। দেখছিল ওদের চঞ্চলতা, উচ্ছ্বলতা। সুপ্তি ছাদের ছোট একটি দেয়ালে বসে থাকতো। সম্ভবত ৮ তলা হতে যাচ্ছে। সুপ্তি আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকতো। শিপ্লু যেন মেঘ হয়ে ভেসে বেড়াচ্ছে ঐ নীল গগনে। হঠাৎ কিসের যেন শব্দ হলে সুপ্তি সম্মোহন ফিরে পায়। ফিরে আসে বাস্তবে। শিপ্লু একটি ফুটবল নিয়ে ছোট বাচ্চাদের দিকে ছুড়ে মারছে। সুপ্তি তাকাতেই হেসে উঠল। সবার অগোচরে শিপ্লু একটি ছবি তুলে নিলো। শিপ্লুদের বাসায় একটি ছোট কাজের মেয়ে ছিল। শিপ্লুকে একটি ছবি তুলে দেয়ার জন্য ডাকলে মুচকি হেসে সুপ্তি আর ওর চাচাতো বোনের একটি ছবি তুলে দিল। ক্যামেরা দিতে এসে সুপ্তির হাতে চিমটি কাটলো। এমনি করেই চলছিল দিন ওদের ভালোলাগা ভালোবাসাময় দিনগুলো।

একদিন ছুটির ঘন্টা বাজলো। সুপ্তির বাবা বদলী হয়ে অন্যত্র চলে যাচ্ছে। আর মাত্র ১৫ দিন আছে সুপ্তিরা। সুপ্তিদের বাসায় সেই সময় গেষ্টদের ভীড় লেগে—ই থাকতো। তাই কয়েকদিন ছাদে দেখা হয়নি শিপ্লুর সাথে। সুপ্তি ছটফট করেছে রাগে—যন্ত্রনায়। সুপ্তি মনে মনে ঠিক করে ওকে টোকেন হিসেবে কিছু দিয়ে যাবে। তাই, একটি কাগজে ৩টি রবীন্দ্র সঙ্গীতের কলি, ১। তুমি যে সুরের আগুন—— সবখানে। ২। কতবার ভেবেছিনু আপনা ভূলিয়া তোমার চরনে দেবো হৃদয় খুলিয়া। ৩। আমি তোমার সঙ্গে বেঁধেছি আমার প্রাণ সুরের বাধনে এবং কয়েকটি প্রেমের কবিতার বই উপহার দেয়ার জন্য ছাদে আসে। শিপ্লুকে দুপুর বেলা ছাদে আসতে দেখেছে। সবার অগোচরে সুপ্তিও চলে আসে। ছাদে এসে দেখে কোথাও নেই, গেলো কোথায় হঠাৎ দেখে লুকিয়ে সে সিগারেট ফঁুকছে। সুপ্তিকে দেখেই অবাক হয়ে গেছে। তুমি এখানে এই সময় । সুপ্তি রাগে ফেটে যায় । মনে মনে বলে— যার জন্য করি চুরি সেই বলে কিনা চোর। তবুকিছু বলেনা সুপ্তি। সুপ্তির খুব কষ্ট হচ্ছে শিপ্লুকে ছেড়ে থাকতে হবে। সুপ্তি বলে, তুমি সিগারেট খাও? শিপ্লু গর্বের সুরে বলে উঠল তাতো দেখতেই পাচ্ছো। সুপ্তি চিঠিটি দিল আর বইগুলো দিয়ে দূরে দাঁড়িয়ে রইল। শিপ্লু চিঠিটি পড়ে সুপ্তির কাছে এসে বললো, আজ রাত ৮টায় ছাদে আসতে পারবে? অনেক কথা আছে। সুপ্তি জানে সে কখনোই রাত ৮টা বাজে ছাদে আসতে পারবে না তাই সে না বললো। সুপ্তি বললো এর কলেজে দেখা করতে কিন্তু সকালে ওর মায়ের সাথে ডাক্তারের কাছে যেতেই হবে তাই শিপ্লু বললো কাল দুপুর ১২ টায় ছাদে আসতে। সুপ্তি রাজী হল। কিন্তু সুপ্তি বাসায় ১২.৩০ এলো। এসেই ছাদে গিয়ে দেখে কেউ নেই । তাই ব্যর্থ মনে ওর জন্য আনা একটি বকুলের মালা ছাদে রেখে আসে ১২.৩০ লিখে। সেদিন আকাশ মেঘলা ছিল । বাতাসও ছিল, থেকে থেকে বৃষ্টিও হচ্ছিল গুরি গুরি। হয়ত শিপ্লু পায়নি ওর মালাটি। সুপ্তি পৌঁছাতে পারেনি হয়তো ওর ভালোবাসা মাথা মালাটি। আর একদিন দেখা হয়েছিল ছাদে, সাথে ওর মা ছিল বলে সেদিন কোন কথাই বলা হয়নি। শেষ দেখার দিনটি চলে এলে শেষ দেখা হল শিপ্লুর সাথে বাসার গেটে। শিপ্লু ছাদ থেকে নামছে। ওর জন্যই সুপ্তি দাঁড়িয়েছিল। একটু দেখে নিয়ে যাতে কেউ দেখে না ফেলে তারপর বললো, দেখা করলেনা কেন? সুপ্তি বললো তুমি এলেনা তো বলেই চলে এলাম ঘরে। কেননা ছাদ থেকে সবাই নামছিল। তারপর দিন কাক ডাকা ভোরে চলে এলো ঐ বাসা ছেড়ে। ওর জানালায় নক করেছিল সুপ্তি খুব আস্তে। শিশু হয়তশুনতে পায়নি। ঘুমে অচেতন ছিলো।

সেদিন রাতে সুপ্তি ঘুম হয়নি। সারারাত একটুও ঘুম হয়নি। ওর কথাই ভেবেছিল তন্দ্রার মাঝে। সুপ্তি দেখতে পায় শিপ্লুর কাছে বিদায় নিতে গেছে বিকেল বেলা। শিপ্লু তখন ঘুমোচ্ছিল। সুপ্তি শিপ্লুর মাথায় হাত রাখতেই শিপ্লু জেগে উঠে। যখনি বললো আমরা চলে যাচ্ছি ওমনি শিপ্লুর চোখ ছলছল করে উঠলো গভীর আবেগে ভালোবাসায়। কষ্টে চেপে ধরলো সুপ্তির হাত। সুপ্তি যেন আশ্রয় খুঁজে পেল। আলতো করে হাতের পিঠে চুমু খেল শিপ্লু আর চিৎকার করে বললো, আমি তোমাকে যেতে দেবোনা, আমি তোমাকে জড়িয়ে রাখবো, সারা জীবন জড়িয়ে রাখবো, খুব ভালোবাসবো। ঠিক তখনি ওর মায়ের আসার শব্দ পেল। সুপ্তি ওকে জড়িয়ে ধরে বললো, আমি আসবো, আমি তোমার কাছে আসবো। আমার অস্তিত্ব খুঁজে পাবে এই বাড়ির আনাচে কানাচে আমি আসবো। তোমারি হতে শুধু তোমার হতে। এই বলে তাড়াতাড়ি বেরিয়ে এলো শিপ্লুর রুম হতে মায়ের আসার আগেই। সুপ্তি ধুলো উড়িয়ে চলে যাচ্ছে শিপ্লুকে ছেড়ে। যতদূর দেখা যায় শিপ্লু সুপ্তির দিকে তাকিয়েই রইলো ।
সুপ্তির ঘুম ভেঙ্গে গেল। জেগেই দেখে ওর বালিশ ভেজা। চোখ দিয়ে অঝর ধারায় অশ্রম্ন গড়াচ্ছে। নিজের রুমে চিৎকার করে বলে, শিপ্লু, আমি তোমার কাছে আসবো, সত্যি সত্যি আমি তোমার কাছে আসবো। প্রতিক্ষায় থেকো।

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




themesbazar_brekingnews1*5k
© All rights reserved © 2020
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD